আপাতত চুক্তিতে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেওয়া হবে না

আপাতত চুক্তিতে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেওয়া হবে না
Rate this post

বাংলাদেশের 26 তম পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের মেয়াদ 2022 সালের ডিসেম্বরে শেষ হয়েছিল। সরকার তার চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে চুক্তিতে তার চাকরি দুই বছরের জন্য বাড়িয়েছিল। মাসুদ বিন মোমেনের চুক্তি শেষ হবে চলতি বছরের ৫ ডিসেম্বর। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কয়েক মাস আগে তার উত্তরসূরি খোঁজার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা। সৈয়দা মুনা তাসনিম এবং মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের নাম – যথাক্রমে যুক্তরাজ্য এবং ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার – অগ্রদূত হিসাবে উপস্থিত হচ্ছে। তবে একাদশ বিসিএসের এই দুই কর্মকর্তা যথাক্রমে ২৬ ও ৩১ ডিসেম্বর অবসর-পরবর্তী ছুটিতে (পিআরএল) যাবেন। ফলস্বরূপ, এই কর্মকর্তাদের কেউ যদি পররাষ্ট্র সচিব পদে নিয়োগ পেতে চান তবে তাদের পিআরএল তারিখের কয়েক মাস আগে নিয়োগ দিতে হবে।

পরবর্তীতে পদের জন্য নির্বাচিত ব্যক্তিকে চুক্তিভিত্তিক চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে হবে। বিগত দুই দশকে পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে নিয়োগের কয়েক মাসের মধ্যে চুক্তিতে মেয়াদ বাড়ানোর কোনো উদাহরণ নেই।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের শুরুতে মাসুদ বিন মোমেনের উত্তরসূরি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমার নাম সামনে আসে। পরে সরকার মাসুদ বিন মোমেনের মেয়াদ দুই বছরের জন্য বাড়িয়ে দেয়। সেই বছরের জুনে রাবাব ফাতিমা জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি হন।

সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মোঃ তৌহিদ হোসেন প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, নিয়মিত কূটনীতিকের বদলে সাবেক কূটনীতিককে চুক্তিভিত্তিক বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত।

তিনি মনে করেন, রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালনের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যথেষ্ট মানসম্পন্ন কূটনীতিক রয়েছে। তাই স্বাভাবিক চাকরির মেয়াদ শেষে দুই বছরের জন্য চুক্তিতে কূটনীতিক নিয়োগের কোনো কারণ নেই। কয়েক বছর আগে পেশাদার কূটনীতিকদের নিয়মিতভাবে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলে নিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ হতো।

* প্রথম আলোর প্রিন্ট ও অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি শামীম রেজা এবং গালিব আশরাফ ইংরেজিতে পুনঃলিখন করেছেন।

source

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *