এই এপ্রিলের শুরুতে গ্রামে গ্রামে লোডশেডিং বেড়ে যায়

এই এপ্রিলের শুরুতে গ্রামে গ্রামে লোডশেডিং বেড়ে যায়
Rate this post

গত দুই গ্রীষ্মে প্রতিদিন গড়ে তিন ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শিকার হয়েছেন দেশের মানুষ। দেশের কোথাও কোথাও আট থেকে দশ ঘণ্টা লোডশেডিংও হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়া সত্ত্বেও, অব্যবহৃত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার কারণে বিদ্যুৎ খাতের সামগ্রিক ব্যয় বেড়েছে, যা ভর্তুকির চাপ বাড়িয়েছে। চাপ সামাল দিতে সরকার ভর্তুকি সমন্বয় করতে চায়। আগামী তিন বছরে পর্যায়ক্রমে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি। ইতিমধ্যেই গত দেড় দশকে বিদ্যুতের দাম পাইকারি পর্যায়ে ১২ বার এবং খুচরা পর্যায়ে ১৪ বার বাড়ানো হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপকালে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা এম শামসুল আলম বলেন, “বিদ্যুৎ খাত এখনও প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল। গ্রীষ্মকালে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হলে বিদ্যুৎ পাওয়া যায় না। বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বাড়লেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।”

[Prothom Alo correspondents from respective districts have helped prepare this report with information]

*এই প্রতিবেদনটি প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে প্রিন্টে প্রকাশিত হয়েছে এবং ইংরেজিতে পুনঃলিখন করেছেন আশীষ বসু।

source

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *