বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর দায়ে সরকারি চাকরিচ্যুত

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর দায়ে সরকারি চাকরিচ্যুত
Rate this post

অফিস আদেশে বলা হয়, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সাজ্জাদ তার খিলক্ষেতের বাসা থেকে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ওই ছাত্রীকে আটক করে। বাড়ি থেকে আড়াই ভরি স্বর্ণ ও ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে যায়। বরখাস্ত হওয়া এসআই আটকের দিনই তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য ছাত্রীর বাবার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেন।

সাজ্জাদ তখন ডিএনসির গুলশান সার্কেলে পদে ছিলেন।

তদন্তে জানা যায়, রাত সাড়ে ৯টায় অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে অবৈধভাবে আটক করেন তিনি। তবে সাজ্জাদ মামলার জবানবন্দি ও জব্দ তালিকায় উল্লেখ করেন, সন্ধ্যা ৭টায় অভিযান চালানো হয়।

সাজ্জাদ দেখিয়েছিলেন উত্তরা সার্কেলের উপ-পরিদর্শক রোকেয়া আক্তার এবং গুলশান সার্কেলের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান অভিযানের সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন তবে তারা ছিলেন না। তিনি এমন একটি নিয়মও লঙ্ঘন করেছিলেন যা একজন মহিলা অফিসারের উপস্থিতি অন্য মহিলাকে বাধ্যতামূলক করে তোলে।

কোনো নিরপেক্ষ সাক্ষীর উপস্থিতিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়নি এবং উদ্ধারকৃত ইয়াবা বড়িগুলো ঘটনাস্থলে গণনা করা হয়নি। সাজ্জাদ ঘটনাস্থলেই ১ নং সাক্ষীর স্বাক্ষর নেন, কিন্তু একটি ফাঁকা ফর্মে এবং নিয়ম লঙ্ঘন করে তার তেজগাঁও অফিসে সাক্ষী নং ২-এর স্বাক্ষর নেন।

সাজ্জাদের বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ হলো, তিনি মাদক ব্যবসায়ী মো: রায়হানের সঙ্গে যোগসাজশে ভিকটিমকে ফাঁসিয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে নিরপেক্ষ কোনো ব্যক্তিকে সাক্ষী না করে অন্য এলাকার বাসিন্দা ও মাদক ব্যবসায়ী মোঃ মামুন খানকে সাক্ষী করেন।

কর্তৃপক্ষ সাজ্জাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেছে এবং তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে। লিখিত জবাবে সাজ্জাদ ব্যক্তিগত শুনানির জন্য আবেদন করেন।

source

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *