হলমার্কের তানভীর জবানবন্দিতে কে দায়ী?

হলমার্কের তানভীর জবানবন্দিতে কে দায়ী?
Rate this post

তবে ব্যাংকের ব্যবস্থাপক আজিজ, এডিএম সাইফুল হাসান, কর্মকর্তা মতিন, অবসরপ্রাপ্ত ওয়াহিদুজ্জামান ও ক্যাশ অফিসার সাইদুর জড়িত ছিলেন। তসলিম, রাজা ও মালেক আমার পরবর্তী জিএম তুষারের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকের মোটামুটি রেজিস্টারে এন্ট্রি করে এসব কর্মকর্তাদের টাকা দিত। তুষার জানতো। শাখা কর্মকর্তাদের প্রায় তিন কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। সোনালী ব্যাংকের জিএম অফিসের তিন জিএম ও অফিসার ওয়াহিদুজ্জামানকে তসলিম, রাজা ও মালেক ৮০-৯০ লাখ টাকা দেন। আমার লোকজনও নতুন জিএম ননী গোপালকে জিএম অফিসে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে টাকা দিত।

যোগদানের ১৫ দিন পর ননী গোপাল আমাকে তার অফিসে ডেকে ৫ লাখ টাকা এবং একটি ই-৭১ মোবাইল সাহায্য চান। ১৫ দিনের মধ্যে টাকা ও মোবাইল দিলাম। তসলিম, মালেক, রাজা ও ডিজিএম আজিজ সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আইটিএফডি বিভাগের সাবেক এজিএম সাফিউদ্দিনকে (বর্তমান ডিজিএম) ৭-৮ মিলিয়ন টাকা দেন। এছাড়া ম্যানেজার আজিজের নির্দেশে প্রধান কার্যালয়ের ডিএমডি আতিকুর রহমানকে ১০ লাখ টাকা দিয়েছি।

সম্ভবত ২০১২ সালের এপ্রিল মাসে, তসলিম, মালেক, রাজা, ম্যানেজার আজিজ সাহেব, ডিএনএ স্পোর্টসের মালিক শিকা আমাকে ব্যাংকের করিডোরে ডেকে বলেন, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পরিচালনা করতে তিন কোটি টাকা লাগবে। এই টাকা বোর্ডের একজন সদস্যকে দিতে হবে। একপর্যায়ে আমি তাদের ধমক দিলে তারা আমাকে শান্ত করার চেষ্টা করে। তসলিম সাহেব বলেন, আমি নিজে দিবো ১২ কোটি টাকা, হলমার্ক দেবে এক কোটি টাকা এবং মালেক, রাজা ও শিখা ৮০ লাখ টাকা দেবে। আমাকে ধমক দিয়ে আমি ফিরে এলাম। আজিজ সাহেবসহ সবাই আমাকে টাকার জন্য প্ররোচিত করেছিল। তসলিম জানান, এরই মধ্যে তিনি ১২ লাখ টাকা পরিশোধ করেছেন।

source

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *